Home » জেকেজির সাবরিনা-আরিফের বিচার শুরু

জেকেজির সাবরিনা-আরিফের বিচার শুরু

by newsking24

করোনার রিপোর্ট জালিয়াতির মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান চিকিৎসক সাবরিনা আরিফ চৌধুরী এবং তাঁর স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীসহ আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট সরাফুজ্জামানের আদালতে অভিযোগ গঠন করেন।

অভিযোগ গঠনের সময় আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে ন্যায় বিচার চান। বেলা আড়াইটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর আগে করোনার রিপোর্ট জালিয়াতির মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান চিকিৎসক সাবরিনা আরিফ চৌধুরী ও তাঁর স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীসহ আট আসামিকে দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়।

আসামিপক্ষের কয়েকজন আইনজীবী তখন আদালতের কাছে দাবি করেন, এই মামলার কাগজপত্রের নকল কপি তাঁরা পাননি। যে কারণে তাঁরা মামলা থেকে আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন করতে পারেননি। এই মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির নতুন দিন ঠিক করা হোক। তবে আসামিপক্ষের ওই আবেদনের বিরোধিতা করে রাষ্ট্রপক্ষ সরকারি কৌঁসুলি আবু আবদুল্লাহ আদালতকে বলেন, ‘এ মামলাটি একটি আলোচিত মামলা। এ মামলার অন্য আসামিরা মামলার কাগজপত্রের নকল কপি পেয়েছেন। যাঁরা কাগজপত্র পাননি, সেটি তাঁদের ব্যর্থতা। আমরা চাই, আজ এই মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি হোক।’

উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে ম্যাজিস্ট্রেট সরাফুজ্জামান আনসারী এই মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য বেলা আড়াইটার সময় ঠিক করেন। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। চিকিৎসক সাবরিনা আরিফ ও তাঁর স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীসহ অন্য আসামিদের কারাগার থেকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে দেখা যায়, আসামিরা কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সাবরিনা ও তাঁর স্বামী আরিফুল পরস্পরের সঙ্গে কথা বলেন। বেশ কয়েকবার তাঁরা নিজেদের মধ্যে কথা বলেন।

৫ আগস্ট ভুয়া করোনার রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান চিকিৎসক সাবরিনা আরিফ চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে অভিযোগপত্র দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিএমপি)।

করোনা টেস্টে প্রতারণার মামলায় জেকেজির সিইও আরিফুল হক চৌধুরীকে আদালতে তোলা হয়। ছবি: হাসান রাজাঅভিযোগপত্রে বলা হয়, করোনা জালিয়াতিতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন জেকেজির সাবরিনা ও তাঁর স্বামী জেকেজির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল হক চৌধুরী। এ দুজন ছাড়াও মামলার অন্য ছয় অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি হলেন জেকেজির সমন্বয়ক সাঈদ চৌধুরী, জেকেজির সাবেক কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, তাঁর স্ত্রী তানজিনা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম ও জেবুন্নেসা। মামলা থেকে মামুনুর রশীদ নামের আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। মামলা করার ৪২ দিনের মাথায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

করোনার নমুনা সংগ্রহ ও ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে গত ২৩ জুন জেকেজি হেলথ কেয়ারের কর্মচারী হুমায়ুন কবির ও তাঁর স্ত্রী তানজিনা পাটোয়ারীকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানার পুলিশ। পরের দিন ২৪ জুন হুমায়ুন কবির ও তানজিনা ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে হুমায়ুন কবীর জেকেজি হেলথ কেয়ারে চাকরি করার সময় কীভাবে করোনার নমুনা সংগ্রহ এবং ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করেছেন, সে ব্যাপারে বিস্তারিত তুলে ধরেন। হুমায়ুন কবির জবানবন্দিতে বলেন, করোনার নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করে ড্রেনে ফেলে দিতেন। এ ছাড়া শফিকুল ইসলামও আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

(perform(d, s, id) {
var js, fjs = d.getElementsByTagName(s)[0];
if (d.getElementById(id)) return;
js = d.createElement(s); js.id = id;
js.src = “http://connect.facebook.net/en_US/sdk.js#xfbml=1&version=v2.7&appId=1499138263726489”;
fjs.parentNode.insertBefore(js, fjs);
}(doc, ‘script’, ‘facebook-jssdk’));

Source hyperlink

Related Articles

Leave a Reply

Select Language »
%d bloggers like this: